Tuesday, December 24, 2019
Wednesday, October 2, 2019
অস্তিত্বের সন্ধ্যানে
হেঁটে চলেছি আমি পিচের পথ ধরে
সাদা তুলো মেঘ গুলোকে সাথে করে
এদিক-ওদিক তাকাই
দেখি অহর্নিশ মানুষের মুখ--
কিন্তু কোথাও কারও অস্তিত্ব নাই।
তারা কোথায় চলেছে কে জানে?
স্বপ্ন বিলাসী যারা
এই পথে হাঁটে না তারা,
বেঁচে থাকতে চায় মুঠো মুঠো স্বপ্ন নিয়ে
শরতের মেঘের মত ভেসে বেড়ায়
টুকরো টুকরো ভালোবাসা দিয়ে।
তবুও কি তারা বাঁচে ঐসব মানুষের মতন?
যারা জীবনটাকে বেঁধে ফেলেছে
একই চক্রের বন্ধনে
নিজের ছবি দেখতে কি পায় তারা
ময়লার স্তুপে কিংবা ধোঁয়ার ধূপে?
তবুও তারা চলে, চলে চক্রের স্তুপে
কী আছে তাতে সুখ?
কী আছে তাতে মাহত্ম?
সেতো জানবার কথা নয়,
দাদা-ছেলে-ছেলের ছেলের মাঝে
যারা বেঁচে থাকতে চায়
তাদের কি সেই বোধ জন্ম লয়?
তারা শুধু মেটাতে চায় বস্তাপঁচা আশ
মুখে মুখে বুকেতে তাদের
অন্তঃসারশূন্য বিশ্বাস।
এসব দেখি আমি এক পলকে
দুঃখ ভর করে,
একাকি হেসে হেসে
ছল ছল জল নেমে আসে চোখে।
আর ভাবি, আমি কি তাদেরই একজন?
মানুষরূপী আমার কি নেই মানুষের মন!
হয়তো নেই,
হয়তো আছে
মন কি তার হিসেব কষেছে--
জানি না আমি।
জানি না আমি--
কোথায় হবে আমার শেষ
হয়তো থাকবে না অস্তিত্ব,
হয়তো চিরকাল থাকবে অবশেষ।
_________________________________________
০২.১০.২০১৯
সোনারগাঁও
Thursday, August 1, 2019
চামচাগুলো
চামচাগুলো দাঁড়িয়ে অাছে আজ তারা অন্ধ
মানুষরূপী! তবুও তাদের গাঁয়ে জানোয়ারের গন্ধ
জিভে তাদের লেপ্টে থাকা চেঁটে খাওয়া জুতার ধুলো
হাঁ করে দেখিয়ে বেড়ায়,
কে দিবে পাছায় তাদের চায়না মুলো!
রক্তপিপাসু, চড়ে বেড়ায় রক্তের পিপাসায়
যখন যাকে পায় তাকেই ধরে ধরে কামড়ায়
পিয়াস মিটায়, দম্ভে দেখায় তাদের কাঁচকলা
আরে গাধারা!! আজকের কিশোররাই
আগামীর হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা।
ফুল ফুটতে চায
ফুল ফুটতে চায়, ফুল ফুটতে চায়
তবুও সে ফুটতে পারে না।
পাখি গাইতে চায়, পাখি গাইতে চায়
তবুও সে গাইতে পারে না।
যেহেতু তারা চায়--
চায় শুধু ফুল ফুটাতে
যেহেতু তারা চায়--
চায় শুধু পাখিকে গাইতে।
কে পারে পাখির ভাষা বুঝতে
কে পারে ফুলের ভাষা বুঝতে
তবুও কেন তারা ছুটে, কেন ছুটে?
---------------------------------------------
৩১-০৭-১৯
সোনারগাঁ
Thursday, July 4, 2019
সংশয়
জানার অনেক বাকি---
মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে তাই সংশয়ে থাকি।
যা কিছু আছে পরমসত্য, সেতো সত্য নয়
গরিষ্ঠের বিশ্বাসে তা সত্য বলে মনে হয়,
সংশয়ে থাকা প্রাণ তাইতো জেগে উঠে
প্রশ্নের উত্তাপে পরমসত্য যায় যে ফেঁটে।
আগমনী বার্তা শোনায় কোন নতুন তত্ত্ব
কিছুকাল পর--
গরিষ্ঠের বিশ্বাসে তা আবারো হয় সত্য।
সংশয়ে থাকা প্রাণ
ডমরুর তালে
বজ্রকন্ঠে বলে--
'জানার অনেক বাকি'
মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও তাই সংশয়ে থাকি।
--------------------------------------------------------
রোমিও
০৪.০৬.১৯
Monday, April 22, 2019
মুনির ভাইয়ের মন্তব্য
আমার মন্তব্য --
মুনির ভাই আপনার নামের অর্থ খোঁজার দরকার নাই, কারণ আপনি একজন আদর্শের নাম।
নিঃসন্দেহে শক্তিশালী ব্যাক্তিত্বের অধিকারী, জীবনটাকে একবারে নিয়ে এসেছেন হাতের মুঠোয়,যেকোন পরিস্থিতিতে ডুবে যান না, রীতিমত শাসন করেন। এটাকেই বলে লাইফ ব্যালেন্সেনিং যাকে আমরা সহজ করে উপাধি দেই অলরাউন্ডার।
কবিতা, গান, গল্পের মাঝে ডুবে থাকার সময় পাই নাই চাকরিরত অবস্থায়, তাই ছেড়ে দিয়েছিলাম এই ভেবে জীবনকে আনন্দ নিয়ে না এগোতে পারলে শুধু টাকা দিয়ে কি হবে, তাই লক্ষ্যই চেঞ্জ করে ফেলেছিলাম। এখন এই লক্ষ্যে না পৌছাতে পারলেও দুঃখ নাই কারণ আপনাকেই প্রেরণা বানিয়ে নিয়েছি, সারাদিন অফিস করে রাতে যখন আপনি গীতিকবিতা লিখতে পারেন, তাতে সুর বসাতে পারেন আর আমি পড়তে পারবো না......
আপনাকে অনেক ভালোবাসা, ভালো থাকুন সবসময়......
ভাইয়ের মন্তব্য---
মাহমুদ হোসেন রোমিও। মাহমুদ অর্থ হলো প্রশংসিত। প্রশংসিত রোমিও সেই হিসেবে আমাদের একজন বিশেষ বন্ধু বটে।
সোনারগাঁ থেকে যাতায়াত করে পড়ালেখা করা রোমিও-র কথার সুরটা আমার খুব পছন্দের। আমি মাহমুদের কথা বলা শুনেই তাকে চিনতে পারবো, হয়তো সবাই পারবে। তাছাড়াও ছেলেটি বুদ্ধিদীপ্ত। অংক আছে এরকম বিষয়গুলোর রাজ্যে, মাহমুদ হোসেন রোমিও একজন সম্রাট। সৃষ্টিশীল কাজের প্রতি তার ভালোবাসা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমাকে নিয়েও রোমিও যা লিখেছে, সেটিও প্রমান করে তার ভাবপ্রকাশের ক্ষমতা কতটা প্রখর।
রোমিও বেশ হাসিখুশি একটা ছেলে। পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে প্রায়শই তার সাথে আমার কথা হয়। বিশ্বাস আছে সে একদিন অনেক সফল হবে ও মনের মতো একজন জুলিয়েট খুঁজে পাবে 🙂
ভালোবাসা ও শুভকামনা রইলো 💕
Saturday, April 20, 2019
গুরুভক্তি
যখন একটা মানুষ আরেকটা মানুষের মধ্যে অনেক কিছু খুঁজে পায়, তার অজানা নানা প্রশ্নের উত্তর পায়, সে তখন বিষ্ময়ে ভাবে একজন লোক এতটা জ্ঞানী কিভাবে? তখন সে তার জ্ঞানে মুগ্ধ হয়ে মুরিদ বা শিষ্যত্ব গ্রহণ করে।
সে যা জানে না, তার গুরু সব জানে বিধায় সে তার গুরুর মোহে আবিষ্ট হয় আর ভাবতে থাকে 'আমার গুরুর চেয়ে জ্ঞানী ব্যাক্তি পৃথিবীতে আর নেই।' আর এটাই তাকে আরও গুরুর প্রতি যুক্তিহীন বিশ্বাস গড়ে তুলে, গুরুর সকল কথা অন্ধভাবে পালন করতে থাকে।
তখন সে গুরুর কাছ থেকে জ্ঞান আহোরণ করার চেয়ে গুণগানই গাইতে বেশী পছন্দ করে, গুরুর জ্ঞান নির্ভর কথার চেয়ে গুরুর সেবা করাটাকেই গুরুত্বপূর্ণ মনে করে।এই ব্যাপারটাকে বলে ভক্তি, অন্ধভক্তি।
কখনো কখনো এই অন্ধভক্তির জন্য বল প্রয়োগেও সে দ্বিধাবোধ করে না, উপনীত হয় ভয়ংকর সৈরাচারী রূপে। কখনোই তার বোধ জন্মে না আমার গুরুর চেয়ে পৃথিবীতে অনেক বেশী জ্ঞানী আছে.....তখনই তার দ্বারা অনিষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশী।
শ্রদ্ধা আর ভক্তি এক ব্যাপার নয়, যার কাছে আমি দীক্ষা গ্রহণ করেছি তাকে অবশ্যই শ্রদ্ধা করবো কিন্তু তার নেতিবাচক চিন্তাকে শ্রদ্ধার ভারে ভক্তি করবো তা হয় না।
তাই গুরুভক্তি ভালো কিছু নয়, গুরুকে সবসময় শ্রদ্ধা করা যেতে পারে কিন্তু ভক্তি নয়।
-------------------------------------------------------------------------
২০.০৪.১৯
সোনারগাঁ
স্বপ্নগুলো
আজ মুখোর ঝড়ের দিনে আমার চোখের স্বপ্নগুলো দূর আকাশ হতে ঝড়ে পড়ে বৃষ্টির সাথে পত্র-পল্লবে নেঁচে বেড়ায়, গেয়ে যায় নতুন শাখার সুরের তালে, মিশে যায়...
-
যখন একটা মানুষ আরেকটা মানুষের মধ্যে অনেক কিছু খুঁজে পায়, তার অজানা নানা প্রশ্নের উত্তর পায়, সে তখন বিষ্ময়ে ভাবে একজন লোক এতটা জ্ঞানী কিভাবে?...
-
প্রেমে যেভাবে পড়ে যেহেতু মানব বৈশিষ্ঠ্যের মধ্যে পরস্পর বিপরীত লিঙ্গের প্রতি প্রাকৃতিকভাবে আকর্ষণ অনুভব করে সেহেতু কে কখন কার প্রেমে পড়...
-
ফুল ফুটতে চায়, ফুল ফুটতে চায় তবুও সে ফুটতে পারে না। পাখি গাইতে চায়, পাখি গাইতে চায় তবুও সে গাইতে পারে না। যেহেতু তারা চায়-- চায় শ...